এমএনএ রিপোর্ট : কক্সবাজার সফরে গিয়ে সমুদ্রজলে পা ভিজিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তাকে বেশ উচ্ছ্বসিত দেখাচ্ছিল।
আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় অনুষ্ঠান শেষে সোজা ইনানী সৈকতে নেমে পড়েন তিনি। খালি পায়ে বেশ কিছুক্ষণ হাঁটেন তিনি, নামেন পানিতেও। সৈকতে সমুদ্রের শীতল পানিতে পা ভেজানোর সময় তাকে প্রাণোচ্ছল দেখাচ্ছিল।
সমুদ্রের বিশালতা মানুষকে মুগ্ধ করে, কাছে টানে। আর দশটা সাধারণ মানুষের মতো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও উচ্ছ্বাস-আনন্দে সমুদ্রদর্শন করেন। ঝিনুকফোটা সাগরবেলায় তিনি অনেকটা সময় খালি পায়ে হাঁটেন। মন ভেজান সমুদ্রের ঢেউয়ের তালে।
বে ওয়াচ রিসোর্টের সামনে সৈকতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে প্রথম সমুদ্র দেখার অভিজ্ঞতার কথা জানান।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সেনাপ্রধান আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপুমনিসহ সামরিক- বেসামরিক কর্মকর্তারা এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।
ইনানীর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিও। ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসনামলে অরণ্যঘেরা ইনানীর চেনছড়ি গ্রামে বেশ কিছু দিন ছিলেন বাংলাদেশের জাতির জনক।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে সৈকতে উপস্থিত হয়ে বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ (৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ) সড়ক উদ্বোধন করেন তিনি।

সকাল পৌনে ১০টার দিকে কক্সবাজারে পৌঁছেন প্রধামন্ত্রী। বাংলাদেশ বিমানের সুপরিসর ৭৩৭-৮০০ বোয়িং বিমান মেঘদূত প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কক্সবাজারে অবতরণ করে।

সেখানে অবতরণের পরই কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সম্প্রসারিত রানওয়ে বাংলাদেশ বিমানের ১৬২ আসনের সুপরিসর বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজ চলাচল উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিকেলে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। তিনি সেখান থেকে আরও ৯টি মেগা প্রকল্পের উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। এ ছাড়া কিছু প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

