আজ সুরস্রষ্টা আলম খানের ৭৪তম জন্মদিন
Posted by: News Desk
October 22, 2018
এমএনএ রিপোর্ট : খ্যাতিমান সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব গীতিকার, সুরস্রষ্টা এবং সঙ্গীত পরিচালক আলম খানের আজ ৭৪তম জন্মদিন। জনপ্রিয় এ ব্যক্তিত্ব বর্তমানে অসুস্থ রয়েছেন। তাই এ দিনে তিনি বাসাতেই অবস্থান করবেন বলে জানিয়েছেন।
জন্মদিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘খুব ভালো লাগছে যে, গত একটি বছর ভালো কাটিয়েছি। আবার খারাপও লাগছে একটি বছর চলে গেল। বয়সের সংখ্যা বাড়ল। জন্মদিন নিয়ে বাড়তি উত্তেজনা আমার পছন্দ নয়। স্বাভাবিকভাবে জীবনের সব দিন কাটাতে চাই।’
পপসম্রাট আজম খানের বড় ভাই তিনি। গুণী এই মানুষটি ১৯৪৪ সালের ২২শে অক্টোবর সিরাজগঞ্জের বানিয়াগাথি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
গীতিকার, সুরকার এবং সঙ্গীত পরিচালক আলম খানের বাবার নাম আফতাব উদ্দিন খান। মায়ের নাম জোবেদা খানম। গুলবানু খানের সাথে দাম্পত্য জীবনে দুই ছেলে আরমান খান ও আদনান খান এবং এক কন্যা আনিকা খানের জনক তিনি।
চলচ্চিত্রের গানে অবদানের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালক ও সুরকার বিভাগে সাতবার বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।
ছোটবেলা থেকে গানের প্রতি তাঁর ভীষণ আগ্রহী ছিলো। সেই আগ্রহ থেকেই গানের ভুবনে প্রবেশ। ১৯৭০ সালে আবদুল জব্বার খানের ‘কাঁচ কাটা হীরে’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। তারপর অসংখ্য ছবির সংগীত পরিচালনা করেন। সৃষ্টি করেন একের পর এক শ্রুতিমধুর এবং জনপ্রিয় গান।
আলম খানের সুর ও সঙ্গীত পরিচালনায় সৃষ্ট অসংখ্য গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- ওরে নীল দরিয়া, হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস, আমি রজনীগন্ধা ফুলের মতো, ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, কি জাদু করিলা পিরিতি শিখাইলা, তুমি যেখানে আমি সেখানে, সবাই তো ভালোবাসা চায়, ভালোবেসে গেলাম শুধু, চাঁদের সাথে আমি দেবো না, আমি একদিন তোমায় না দেখিলে, তেল গেলে ফুরাইয়া, আমি তোমার বধূ তুমি আমার স্বামী, জীবনের গল্প বাকি আছে অল্প, সাথীরে যেও না কখনো দূরে, মনে বড় আশা ছিল, বেলি ফুলের মালা পরে, কাল তো ছিলাম ভালো, চুমকি চলেছে একা পথে ভালবাসিয়া গেলাম ফাঁসিয়া, তুমি কি এখন আমারই কথা ভাবছো, আকাশেতে লক্ষ তারা চাঁদ কিন্তু একটাইরে ইত্যাদি। মহিউদ্দিন পরিচালিত ‘বড় ভালো লোক ছিল’ ছবির মাধ্যমে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি।
আলম খান তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ‘বড় ভাল লোক ছিল’ (১৯৮২), ‘তিন কন্যা’ (১৯৮৫), ‘সারেন্ডার’ (১৯৮৭), ‘দিনকাল (১৯৯২) এবং ‘বাঘের থাবা’ (১৯৯৯) ছবিগুলোতে শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। শ্রেষ্ঠ সুরকার হিসেবে ২০০৮ সালে পেয়েছেন ‘কি জাদু করিলা’ ছবির জন্য।
খানের আজ জন্মদিন সুরস্রষ্টা আলম ৭৪তম 2018-10-22