Don't Miss
Home / হোম স্লাইডার / নির্বাচনের ৭ থেকে ১০দিন আগে সেনা মোতায়েন : ইসি সচিব

নির্বাচনের ৭ থেকে ১০দিন আগে সেনা মোতায়েন : ইসি সচিব

এমএনএ রিপোর্ট : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোটের ৭ থেকে ১০দিন আগে থেকেই মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে ব্রিফিং করার সময় একথা জানান নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

তিনি বলেন, নির্বাচন পূর্বকালীন সময়ে অর্থাৎ নির্বাচনের একসপ্তাহ বা দশ দিন আগে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। বিজিবি মোতায়েন হবে। সুতরাং তাদের থাকার ব্যবস্থাসহ সব প্রস্তুতি এখন থেকে নিতে হবে।

বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সংসদ নির্বাচনে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়ে এলেও নির্বাচন কমিশন তাতে সাড়া দেয়নি।

গত ৮ নভেম্বর প্রথম দফা তফসিল ঘোষণার দিন জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেন, এবার সেনা মোতায়েন হবে আগের মতোই। অর্থাৎ সেনাবাহিনীর বিচারিক ক্ষমতা থাকবে না।

তিনি বলেন, “নির্বাচন চলাকালে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বেসামরিক প্রশাসনকে যথা-প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের ‘এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’ বিধানের অধীনে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন থাকবে।”

সর্বশেষ ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ৩০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ, ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত মনোনয়ন দাখিল, ২ ডিসেম্বর বাছাই আর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ১০ ডিসেম্বর প্রতীক পাওয়ার পর আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করতে পারবেন প্রার্থীরা।

চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল বিভাগের সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের উদ্দেশ্যে করা ব্রিফিংয়ে ইসি সচিব আরও বলেন, কোথায় প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ এবং যেখান থেকে ফলাফল ঘোষণা করা হবে, এখন থেকে সেটা ঠিক করে রাখতে হবে। নির্বাচনী মালামাল সরবরাহ করার স্থানও ব্যবস্থা রাখতে হবে।

বক্তব্যে গতকাল বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গ পুলিশের সংঘর্ষ নিয়েও কথা বলেন হেলালুদ্দীন আহমদ।

তিনি বলেন, পল্টনে শোডাউনকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এটা যেন আর পুনরাবৃত্তি না হয়। পোস্টার-ব্যানার সরিয়ে ফেলাসহ মাঠের পরিবেশের দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের।

বাংলাদেশে এর আগের প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনেই সেনা মোতায়েন হয়েছে। ভোটের মাঠে সেনাসদস্যরা বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতেই নিয়োজিত থাকেন।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি এবং ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের সংসদ নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর প্রায় ৫০ হাজার সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছিল।

২০০১ সালের আগে নির্বাচনে সেনা মোতায়েন সংক্রান্ত কোনো বিধান আরপিওতে ছিল না। তারপরও ১৯৭৩ থেকে এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদেরও জেলা/থানা/উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছিল।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপেও সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেওয়ার দাবি তুলেছিল। ক্ষমতাসীনদের পক্ষ থেকে সে সময় বলা হয়, এটা সংবিধান পরিপন্থি, বিশ্বের কোথাও এরকম নজির নেই।

সশস্ত্র বাহিনীর কর্মপরিধি এবং কত সময় তারা নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করবে- সে বিষয়গুলো ঠিক হবে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠকে।

৩০ ডিসেম্বর ভোট রেখে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত মনোনয়ন দাখিল করা যাবে। ২ ডিসেম্বর বাছাইয়ের পর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ১০ ডিসেম্বর প্রতীক পাওয়ার পর আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করতে পারবেন প্রার্থীরা।

x

Check Also

সক্ষমতা

জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকারঃ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এমএনএ জাতীয় ডেস্কঃ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় ...