Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / সাবেক মন্ত্রী একেএম মাঈদুল ইসলাম আর নেই

সাবেক মন্ত্রী একেএম মাঈদুল ইসলাম আর নেই

এমএনএ রিপোর্ট : কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী একেএম মাঈদুল ইসলাম মুকুল ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহে… রাজেউন)। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৪০ মিনিটে ইন্তেকাল করেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি ১ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বর্ষীয়ান এ নেতার জানাযা নামাজ আগামীকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় নিজবাড়ি কুড়িগ্রামের উলিপুর স্টেডিয়াম মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
আজ শুক্রবার বাদ জুম্মা ঢাকার আসাদগেট নিউ কলোনি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে মরহুমের প্রথম জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। আগামী রবিবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ৩য় ও বাদ আসর গুলশান আজাদ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে ৪র্থ জানাযা নামাজ শেষে বাদ মাগরিব বনানী কবরস্থানে সাবেক এ মন্ত্রীকে দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
পেশায় শিল্পপতি মাঈদুল ইসলাম ছয়বার কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসানের জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদে এসেছিলেন। জিয়াউর রহমান ও এইচ এম এরশাদ সরকারের মন্ত্রিসভাতেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
এই সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন রাষ্ট্রপ্রতি মো. আবদুল হামিদ।
কুড়িগ্রামের কৃতিসন্তান সাবেক মন্ত্রী একেএম মাঈদুল ইসলাম মুকুল ১৯৪৩ সালে ১ মে জন্মগ্রহণ করেন। উলিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উলিপুর মহারাণী স্বর্ণময়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়াশুনা করেন। পরে কুমিল্লার মতলব হাইস্কুল থেকে ১৯৫৯ সালে মেট্রিক পাস করেন। তিনি রাজশাহী সরকারি কলেজ থেকে ১৯৬১ সালে আই.এ পাশ করে করাচী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে বিভাগে ভর্তি হন এবং ১৯৬৬ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ পাশ করেন।
জাতীয় পার্টির নেতা মাঈদুল ইসলামের রাজনৈতিক জীবন শুরু জিয়াউর রহমানের জাগো দলে। ১৯৭৯ সালে তিনি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় যোগ দেন। জিয়ার মৃত্যুর পর বিচারপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভাতেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
জিয়া নিহত হওয়ার পর বিএনপিতে যে কজন নেতার সক্রিয় ভূমিকা ছিল, তাদের মধ্যে মাঈদুল ছিলেন অন্যতম।
তিনি ১৯৭৯ ও ১৯৮১ সালে ডাক, তার ও টেলিফোন মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী মন্ত্রণালয়, ১৯৮৫-৮৭ সালে ভূমি মন্ত্রণালয় ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, ১৯৮৮- ১৯৮৯ সালে পাট মন্ত্রণালয় এবং ১৯৮৯ সালে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এরশাদ সরকারের পতনের পর একবার পুরনো দল বিএনপিতে ফিরলেও পরে আবার তিনি এরশাদের দলে যান।সর্বশেষ ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে কুড়িগ্রাম-৩ আসনে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন, উলিপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাঈদ সরকার, সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সরদার ও প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দসহ উলিপুরের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
x

Check Also

ব্যাংক রেজুলেশন আইন ২০২৬ দুর্নীতি সহায়ক, লুটেরাদের পুনর্বাসন আত্মঘাতী: টিআইবি

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক সদ্য পাস হওয়া ব্যাংক রেজুলেশন আইন, ২০২৬ নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনার ...