Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / কবর থেকে রূপার লাশ উত্তোলন
বোনের খবর পাওয়ার পর লাশ নিতে আসেন ভাই হাফিজুল ইসলাম প্রামাণিক। কবরের পাশেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

কবর থেকে রূপার লাশ উত্তোলন

এমএনএ জেলা প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের কর্মী রূপার লাশ কবর থেকে তুলে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থান থেকে লাশ বুঝে নিয়ে ভাই হাফিজুল ইসলাম প্রামাণিক বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।

২৫ আগস্ট শুক্রবার রাতে বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে চলন্ত বাসে রূপাকে ধর্ষণের পর ঘাড় মটকে হত্যা করেন পরিবহনশ্রমিকেরা। পরে তাঁর লাশ টাঙ্গাইলের মধুপুর বন এলাকায় ফেলে যান। পুলিশ ওই রাতেই রূপার লাশ উদ্ধার করে। পরের দিন শনিবার টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রূপার লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ওই দিনই টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানে বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে তাঁকে দাফন করা হয়। গত সোমবার রূপার বড় ভাই মধুপুর থানায় গিয়ে সেখানে সংরক্ষিত রূপার ছবি ও কাপড় দেখে লাশ শনাক্ত করেন।

রূপার লাশ টাঙ্গাইল থেকে তাঁদের বাড়ি সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় নিয়ে যাওয়ার জন্য রূপার ভাই হাফিজুল মধুপুর থানায় গতকাল বুধবার আবেদন করেন। পুলিশ আবেদনটি টাঙ্গাইল বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠিয়ে দেয়। জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম গোলাম কিবরিয়া আজ বৃহস্পতিবার রূপার লাশ তুলে পরিবারের কাছে হস্তান্তরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আদেশ দেন।

বেলা তিনটা ৪০মিনিটে দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুর রহিম সুজন ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাইয়ুম খান সিদ্দিকী টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানে গিয়ে লাশ তোলেন। পরে তাঁরা লাশটি রূপার ভাই হাফিজুলের কাছে বুঝিয়ে দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) কাইয়ুম খান চৌধুরী জানান, গত শুক্রবার রাতে বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে ছোঁয়া পরিবহনের একটি চলন্ত বাসে রূপাকে ধর্ষণের পর ঘাড় মটকে হত্যা করে ওই বাসের শ্রমিকরা। পরে তার লাশ টাঙ্গাইলের মধুপুর বনের ২৫ মাইল এলাকায় ফেলে রেখে যায়। রাতে মধুপুর থানার টহল পুলিশ রুপার লাশ উদ্ধার করে।

রূপার বড় ভাই হাফিজুল ইসলাম প্রামাণিক জানান, বোনকে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর বাবার কবরের পাশে দাফন করা হবে।

এ ঘটনায় ছোঁয়া পরিবহনের বাসটির চালক হাবিবুর রহমান, সুপারভাইজার সফর আলী ও বাসের তিন হেলপার শামীম, জাহাঙ্গীর ও আকরামকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা সবাই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

x

Check Also

কাল শুরু হচ্ছে এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ১৮.৫৮ হাজার শিক্ষার্থী

এমএনএ প্রতিবেদক আগামীকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল ...